ঢাকার আশুলিয়ায় এক প্রবাসীর স্ত্রীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর একই ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে আশুলিয়া ইউনিয়নের শ্রীখণ্ডীয়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মৃত আশুলিয়ার শ্রীখণ্ডীয়া এলাকার মাদানী মণ্ডলের ছেলে বাড়ির মালিক নজরুল ইসলাম (৪৭)। নিহত জামাল মোল্লার মেয়ে রেখা আক্তার (৩২)। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রেখা আক্তারের স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুরে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় নজরুল ইসলাম (৪৭) এবং ছুরিকাঘাতে নিহত রেখা আক্তারের (৩২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত এ জোড়া খুনের রহস্য উন্মোচিত হয়নি।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, একই ঘরের ভেতর দরজায় খিল আটকানো অবস্থায় লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নিহত রেখা আক্তারের স্বামী প্রবাসে থাকায় বাড়িওয়ালা নজরুল ইসলামের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে পুলিশ কোনো ক্লু বের করতে পারেনি।
তরিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। স্বজনরা এলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে আশুলিয়া ইউনিয়নের শ্রীখণ্ডীয়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মৃত আশুলিয়ার শ্রীখণ্ডীয়া এলাকার মাদানী মণ্ডলের ছেলে বাড়ির মালিক নজরুল ইসলাম (৪৭)। নিহত জামাল মোল্লার মেয়ে রেখা আক্তার (৩২)। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রেখা আক্তারের স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকেন।
পুলিশ জানায়, বুধবার দুপুরে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় নজরুল ইসলাম (৪৭) এবং ছুরিকাঘাতে নিহত রেখা আক্তারের (৩২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত এ জোড়া খুনের রহস্য উন্মোচিত হয়নি।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, একই ঘরের ভেতর দরজায় খিল আটকানো অবস্থায় লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নিহত রেখা আক্তারের স্বামী প্রবাসে থাকায় বাড়িওয়ালা নজরুল ইসলামের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। তবে হত্যাকাণ্ডের ব্যাপারে পুলিশ কোনো ক্লু বের করতে পারেনি।
তরিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। স্বজনরা এলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অনলাইন ডেস্ক